Friday, February 13, 2015

ডুবজল

ভেসে উঠতে চাই, তবু ডুবজল।
বাতাসের হাত পিছলে যায়।
অন্তহীন টানাপোড়েনে ভাবনার ঘরে ঘুণ।
প্রতিমুহূর্তের জীবনের ঋণশোধের দায়
আমাকে খণ্ড খণ্ড করে রাখে ঘরে ও বাহিরে।
ভাবনাপাখায় উড়ানভরার বেলাগুলি
অবহেলে ভেসে যায় ঘড়ির কাঁটায়।
তবু মাঝরাতে বুকের সেতারে লাগে টান।

শব্দেরা নেমে আসে গ্রহণ পেরিয়ে যাওয়া চাঁদে।


Composed by +Bratati Chakraborty for Jhaalmuri Winter Special
Read the magazine here http://issuu.com/suparnachakraborti/docs/jhaalmuriwinterspecial2015

Previous works by the author
শব্দ মণিকারের চোখে

Jhaalmuri 

Spread Creativity. Spread Happiness.
http://from-the-jhalmuri-corner.blogspot.in/
mail: thejhaalmurigang@gmail.com

Monday, February 9, 2015

The Nail


That night was washed in heavy rain.
I came out of my concrete wall,
where I remain stuck all the time.
That is the job of a Nail, don’t you know that?

I am here for many years, forgot the count.
Stuck here in my work cycle,
as you are stuck in your life,
Morning, office, evening, night, morning again.

Once in a while I take leave.
Go for a flight through the night.
It is difficult to feel the pain of a Nail.
These flights through the rain soaked sky
Gives me immense relief.

I have seen prostitutes haggling on rates,
Her small child resting on a car-bonnet,
Under the half-gaze of the pimp,
May be the possible father.
Pimp father is busy lining up the next client.

Saw a body lying on the road-side
Many commenting on its level of inebriation.
But I found that the poor chap has kissed the
dusty road, last good-bye. Long back.
It is funny, this Iron Nail has a soft heart.

Oh, I forgot, I am a member of the family,
I am the Nail on the wall in Tiku’s room.
I have seen Tiku’s family fighting useless fight.
But Mumbai and its relentless time machine,
It keeps ticking.
Today is running after tomorrow, always,
else the meaningless marathon will be lost.

If I get lost in my flight,
If I get removed from the wall,
I will forever loose my loving vigil on Tiku,
I will not be able to see his sleepy half smile.
Please tell him then, I loved him, very much.
Allow me to get on with my flight.
It is still raining heavily.



Composed by +Sugata Sanyal for Jhaalmuri Winter Special magazine

Previous works by the author

Jhaalmuri 

Spread Creativity. Spread Happiness.
http://from-the-jhalmuri-corner.blogspot.in/
mail: thejhaalmurigang@gmail.com

Thursday, February 5, 2015

অরুন্ধতীর প্রতি

আকাশের ম্রিয়মান নক্ষত্র 
তুমি অরুন্ধতী। 
সহস্র নক্ষত্রের ভিড়ে
হারিয়ে যেতে পারো। অথবা সাধনায়
ব্রতী হও, সূর্য সম্ভবনা তোমারও তো আছে,
হিরন্ময় দ্যুতিতে হতে পারো স্বপ্রকাশিত।
দুঃখ আছে, কষ্ট আছে,
আছে দীর্ঘ পথ চলার ব্যথা ও বেদনা,
সবশেষে আছে জেনো
লক্ষ্যে পৌঁছাবার আনন্দ, উল্লাস ও মাদকতা।
চাই ধৈর্য, চাই নিষ্ঠা
দেহ, মন, প্রাণ এক করে নিয়ে
কঠিন কঠোর তপস্যা।
অরুন্ধতী মনে রেখো
স্রষ্টা বেচে থাকে তার সৃষ্টির মাঝে।
দেহ, সে তো নশ্বর,
ছাই হয়ে পুড়ে যায়, উড়ে যায়
কেউ মনে রাখে নাকো।
অরুন্ধতী
এখনো সময় আছে
নিজের স্মৃতি সৌধ
গড়ে নিয়ে নিজে
বিদায় নিতে পারো তুমি একদিন
অসংখ্য জনের কাছ থেকে
মানুষ দেখবে অবাক বিস্ময়য়ে
আকাশের ম্রিয়মাণ নক্ষত্র এক
সূর্যের মত জ্বলিতেছে
পৃথিবীর মানুষের মনের আকাশে।





Composed by Biswajit Chakraborty for Jhaalmuri Winter Special


Jhaalmuri 

Spread Creativity. Spread Happiness.

Tuesday, February 3, 2015

শেষ দেখা

সেদিন তুই একদৃষ্টে তাকিয়েছিলি আমার দিকে,
সমস্ত চোখ দিয়ে চাইছিলি আটকে রাখতে  ওই সময়টাকে
ওই সময়টাতেই ,হাজার শব্দের মাঝে আমরা দাঁড়িয়েছিলাম নিঃশব্দে-
নিস্তব্ধতা এসে ঘিরে ফেলেছিল শুধু তোকে আর আমাকে...

সে নিস্তব্ধতা থেকে গেলো আজীবনের সঙ্গী হয়ে-
তুই চলে গেলি দুরদেশে,
চলে যাওয়ার সাথে শেষ হয়ে গেলো শেষ সময়টুকুও...
কোনও দায় রইলো না আর আগামী সময়ের কাছে।
ফেলে যাওয়া সময়ের দায়ও ফুরিয়ে গেলো, মিলিয়ে গেলো নিস্তব্ধতার মাঝে!
অনেক আকুলতা, অনেক উত্তর না পাওয়া প্রশ্নের সমাধি ঘটলো-
চিরবিলীন হয়ে গেলো ওই নিস্তব্ধতায়,
ঠিক যেমন করে হেমন্তের ঝরাপাতা ভেসে চলে যায় ঝোড়ো হাওয়ার সাথে
অজানা অচেনা ঠিকানায়, বিনা কোনও অছিলায়!

জীবনের পথে আরও অনেক পথ হেঁটেছি তারপরেও...
পেয়েছি অনেক নতুন প্রশ্ন, উত্তরও খুঁজেছি তার-
নতুন সময়ের সাথে নতুন চলা দিয়েছে অনেক স্মৃতি, অনেক উপলব্ধি-
তবু সেই দায়হীন সময়ের স্মৃতি ঘুরে ফিরে এসেছে চোখের সামনে বহুবার-
সমাধিস্থ প্রশ্ন পেতে চেয়েছে উত্তর মনের ঘরের চার দেয়ালের মাঝে,
স্বপ্নের রূপে অবচেতন মনের সেই না পাওয়ার বেদনা প্রকট হয়েছে চোখের জলে-

বলতে পারিস কেন সে প্রশ্নগুলো রয়ে গেলো স্মৃতির দোসর হয়ে?
ওই দায়হীন সময়ের দায় কিসের যে আজও এসে নাড়া দেয় মনের দরজায়?
ভুলে গেছি ভেবেও ভুলতে পারিনা কেন চিরজন্মের মত?
হেমন্তের ঝরাপাতার মত কেন পুরপুরি ঠিকানাহীন হয়ে যায়নি তারা?
সত্যি কি তাহলে হয়েছিল সব দায় সারা?
সত্যি সব ফুরিয়েছিল নিস্তব্ধতায়-
শেষ দেখাতেই কেন শেষ হয়ে যায়নি সবটুকু দায়ভার?
তুই আমি কেউই কি দায়বদ্ধ নই এই কৈফিয়তের কাছে?
বলতে পারিস কোন সময়ের কাছে সব উত্তর রাখা আছে?



Composed by +Anamitra Raha  for Jhaalmuri Winter Special

Other works by the author


Jhaalmuri 

Spread Creativity. Spread Happiness.
http://from-the-jhalmuri-corner.blogspot.in/
mail: thejhaalmurigang@gmail.com

Monday, February 2, 2015

খেয়ালি মন


অশান্ত মন বিচলিত চিন্তারা
এলোমেলো ঘোরাফেরা করে
ফেলে আসা দিনগুলোকে
বারে বারে পিছে ফিরে চায়
অবাধ্য মন কখন যে কোনদিকে যায়
ব্যস্ত কলকাতার অলিগলি পথে
ট্রাম বাসের ভিড়ে
জ্যামে ভরা রাস্তায়
একটু বিষাদে ভরা
একটু আশার আলো
রোদ ঝলমলে সকাল
সন্ধ্যের অন্ধকার কালো
মিলে মিশে যায় ভাবনারা
কাঁচা মন কাঁচা মাটির তালের মত
নিজেই নিজেকে গড়ে ভাঙে
কুমোরের মাটির মূর্তির মত
অফিসে কাজের ফাঁকে
কফির চুমুকের সাথে
নিজের মনে মনের কথা বলে চলে
নিঃশব্দ ভাষাতে
কোন অদৃশ্য অশরীরির সাথে
তারপর হঠাৎ করে
Inbox -এ ঢোকা New Mail-এর Notification-এ
চমকে উঠে ফেরে বাস্তবে
চারিদিকে ঘিরে থাকা এই অযথা ভিড়ে
ঘিঞ্জিতে রাস্তায়, ঘাসভেজা গরমে,
বাস কন্ডাক্টারের চিৎকারে -
নিজেকে হারিয়ে ফেলে খুঁজে বেরায়
পথের ধারে ঝালমুড়ির দোকানে
আর মাটির ভাঁড়ের চায়ে।
হঠাৎ করে এসে যাওয়া বৃষ্টিতে
আলো ঝলমলে Sector5- এর রাস্তায়
দাঁড়িয়ে থাকে নির্বাক হয়ে অন্ধকার নির্জনে
আলোর মধ্যে লুকিয়ে থাকে অন্ধকার
সত্যির মধ্যে মিথ্যে
সকালের মধ্যে সন্ধ্যে
ফেলে আসা দিনের পিছুটানে
আর অজানা আগামি দিনের ভাবনায়
বাস্তবতা, বর্তমানটা থমকে যায়, হারিয়ে যায়
জোরে জোরে বাজ পড়ে
বৃষ্টি নামে মুষলধারে
মন শুধু খুঁজে ফেরে
নিজের ঠিকানা আনমনে
পথভোলা পথিকের মত
Bus stop -এ ATM Counter -এ আর ঝালমুড়ির দোকানে।  


Poem composed by +deboshree bhattacharjee for Jhaalmuri Winter Special


Jhaalmuri 

Spread Creativity. Spread Happiness.
http://from-the-jhalmuri-corner.blogspot.in/
mail: thejhaalmurigang@gmail.com

Sunday, February 1, 2015

তিনচুলে ভ্রমন

নিশ্চুপ, নির্জন, টুপটাপ ঝরে সে…
প্রকৃতির ভরা সাজ ছোট্ট তিনচুলেতে ।



প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য কে লেখায় ফুটিয়ে  তোলা সহজ কথা নয় । শীতের ছুটিতে ‘তিন চুলে’ বেড়ানোর কথা লিখতে গিয়ে তাই বারবার সেই বিশালতার মাঝে হারিয়ে যাচ্ছি । সহজ সরল এই গ্রাম তিন চুলে সবার কাছে এখনও অচেনা । পশ্চিমবঙ্গের ভ্রমন মানচিত্রে এর পরিচিতি তেমন নেই । তাই যারা নির্জনতার মাঝে  কাঞ্চনজঙ্ঘা ও পাহাড়ি জীবনের স্বাদ নিতে চান তাদের কাছে বেশ নতুনত্বের ছোঁয়া হবে তিন চুলে ।

তিস্তাবাজার থেকে খাড়াই রাস্তা বড়ামাঙ্ওয়া গ্রাম হয়ে সোজা আসছে  তিন চুলে । তবে এই রাস্তা বেশ খারাপ ,সারাই চলছে । তুলনা মুলক ভাবে তাকদাহ-পেশক রোড বেশ ভাল,এই পথের পাশের দৃশ্যও মনোহর; প্রথমে তিস্তা ,পরে  চায়ের বাগান পথ চলার  সঙ্গী হয় ।আবহাওয়া ভালো থাকলে তুষারশৃঙ্গ দৃশ্যমান হয় । তিন চুলেতে থাকার ব্যবস্থা  হয় হোমস্টের মাধ্যমে । আমরা গিয়ে উঠলাম অভিরাজ ভাণ্ডারীর হোমস্টেতে । নতুন তাই সামান্য কিছু অসুবিধা থাকলেও বারান্দাতে এসে দাঁড়াতেই সব জাগতিক স্বাচ্ছন্দ্যের কথা ভুলে গেলাম। উলটো দিকের কালিম্পং শহরের বাড়িগুলো পাহাড়ের গায়ে সুন্দরভাবে সাজানো , তার পিছনে ডেলো পাহাড়ের মাথায় ডেলো বাংলো ( এখন বিশেষ কারণে খ্যাত )। অনেক নীচে তিস্তার জল চিকচিক করছে । বহুদূরে বরফে ঢাকা নাথুলা পাস । গ্যাংটক ,লোলেগাওন একটু ঝাপসা দেখা গেলেও সিকিমের নামচি অনেক স্পষ্ট ।


 প্রাথমিক দেখা সাক্ষাৎ ও দুপুরের খাওয়া সেরে রওনা দিলাম কেভ পয়েন্ট এর  দিকে,গাইড হল বছর সতেরোর  অর্পণ । ধুপির জঙ্গলে মধ্যে দিয়ে এঁকে বেঁকে রাস্তা চলে গেছে । সূর্যের আলো কদাচিৎ ঢোকে তাই স্যাঁতসেঁতে ভাব চারদিকে আর ঠাণ্ডা।কেভপয়েন্টে পৌঁছে দেখলাম উঁচু একটা পাথরের মাথায় আরেকটা ছোট পাথর কেউ যেন সাজিয়ে দিয়েছে । অর্পণ অনেক ভরসা দিলেও শেষ পর্যন্ত একজনই ছোট পাথরের মাথায় ওঠার সাহস দেখাল। এরপর কেভ মানে গুহায় ঢোকার অংশটাও বেশ রোমাঞ্চকর ।মাটি থেকে ফুট পাঁচেক উঁচুতে গুহার মুখ । লম্বায় প্রায় দশ বার ফুট । চওড়ায় ফুট পাঁচেক ,মেঝে ধুলোয় মলিন আর ছাদ বেশ নিচু । মাঝখানে একটা বাঁক আছে ।ঢোকার আর বেরোনোর রাস্তা বা মুখ আলাদা । ফেরার পথে ঘন ঝোপের আস্তরণে মাথার টুপি হারিয়ে গেল । খুঁজতে গিয়ে দেখি গাছের ডালে আটকে  আছে । সঙ্কীর্ণ খাড়া পথটায় পা একটু এদিক ওদিক হলেই পাশের খাদে পড়ে যাওয়ার ভয়।

ছোট্ট ট্রেক সেরে ঘরে ফিরতেই চমকে গেলাম , সূর্যাস্তের আলোয় রক্তিম শৃঙ্গ আর তার সামনে একটা দুটো করে জ্বলে উঠছে পাহাড়ের গায়ে আলোর সারি । রাতের কালিম্পং হোক বা দূরের গ্যাংটকের ভাসাভাসা আলো মনকে কেমন আবেশ করে দেয় । কেঁপে উঠি ঠাণ্ডা হাওয়ায় । গরম গরম কফি ও চিকেন পকড়া খেতে খেতে  বারান্দাতেই আড্ডা জমে উঠল । অভিরাজ জি ও তার পরিবারের আতিথেয়তার কোনও ত্রুটি পেলামনা । ভোরে উঠতে হবে তাই রাতের খাবার  তাড়াতাড়ি খেয়ে নিলাম ,নিচের উপত্যকা থেকে ঠাণ্ডা হাওয়ার ধাক্কায় টিনের চালে হু হু আওয়াজ শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়লাম ।

ভোরে ঘুম ভাঙল সত্যি কারের মোরগের আওয়াজে । অত সকালেও অর্পণ হাজির চা হাতে । এরপর চল্লাম চায়ের বাগান এর পথে । পাহাড়ি ঢালে অনেকটা নেমে আসার পর দুদিকে খালি চায়ের গাছ আর পিছনে ঝকঝকে কাঞ্চনজঙ্ঘা । আজ আকাশ ঘন নীল,কোথাও কোন মেঘের চিহ্ন নেই ।

খবর পেলাম কলকাতায় বৃষ্টি হচ্ছে । দেখা হল বাগানের  পাহারাদারের সাথে । কোমরে বড় কুকরি নিয়ে পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে ঘুরে বেড়ায় সে । অনেক নীচে তার লাল ছাদের বাড়ি । কুড়ি বছর ধরে এই তার কাজ । মনে পড়ে গেল আরণ্যকের কথা । পাথুরে সিঁড়ির পাশে বসে ধ্যান মগ্ন হয়ে পড়ে সে । ফেরার পথে ‘ধাপ চাষের’ খেত জুড়ে  লেটুস,টমেটো আর কড়াইশুঁটির বাহার । এত উঁচুতে জলের স্বাভাবিক চাপকে কাজে লাগিয়ে সামান্য বাঁশ আর সরু পাইপ দিয়ে স্প্রিঙ্কলার পদ্ধতিতে জলসেচ করছে । অরগানিক বা ‘জৈব সার প্রয়োগ’ পদ্ধতি এখানকার গ্রামগুলিতে প্রচলিত।

দুপুরের খাবারের পর চললাম তিন চুলে মনাস্ট্রি দেখতে। মনাস্ট্রির পিছনে সানরাইস ভিউ পয়েন্ট । এখান থেকেও উপভোগ করলাম সামনে্র সবুজ পাহাড় – উপত্যকার সারি। ধুপির জঙ্গলের বাঁকে হঠাত দেখা একলা , পথভোলা হরিণের সাথে ।


তিন চুলে থেকে ঘণ্টা খানেকের দূরত্বে যাওয়া যায় কমলালেবুর বাগানে । এখানেও জৈব সার প্রয়োগ পদ্ধতিতে কমলালেবুর চাষ হচ্ছে  । এক গ্লাস করে কমলালেবুর রসে বুঁদ হয়ে, হাঁ করে গাছ ভর্তি কমলালেবু দেখে , কমলালেবুর গন্ধে মাতোয়ারা হয়ে,ফিরে গেলাম হোমস্টেতে । রাতে হুহু করে বওয়া ঠাণ্ডা হাওয়ায় কাঁপতে কাঁপতে  অর্পণের সহযোগিতায় চিকেন পোড়ানো ও আগুন  পোহানো দুই হোলো । ঝলমলে কালিম্পং পাহাড়ের মাথায় কালপুরুষ তখন স্পষ্টভাবে জেগে উঠছে ।

তিন চুলে থেকে দার্জিলিং ও কালিম্পং দুটো শহরই ঘণ্টা খানেকের পথ । তাই ভ্রমণ সূচিতে  এই দুটো জায়গাও জুড়ে নেওয়া যায় । তবে  পাহাড়ি গ্রাম্য পরিবেশের রেশ নিয়ে ঘরে ফেরার মজা একটু অন্য রকম । তাকদাহ –পেশক রোড ধরে ফেরার পথে  ঝকঝকে কাঞ্চনজঙ্ঘা অনেকক্ষণ পর্যন্ত আমাদের সাথে থেকে হঠাৎ  একটা মোড়ের পর বিদায় নিল। এই কদিনের অকিঞ্চিৎ  দর্শন লাভের পর আজকের এই বিচ্ছেদ মনকে স্বাভাবিকভাবেই ভারি করে তুললো ।

Friday, January 30, 2015

Colorz - Photo Fiesta

Jhaalmuri presents Colorz Photo Fiesta - A photography fair


 Rules and guidelines:
  1. The theme of the photograph should be Colors of the world.
  2. Photograph must be submitted via this form. 
  3. Maximum number of submission by any individual: 2
  4. Photograph submitted should be the original work of the participant.
  5. You can capture photograph using Camera, Mobile or any other digital & analog device.
  6. Photograph should not contain any obscene, profanity, or should not hurt any religious or public sentiment.
  7. Do NOT delete the EXIF information of the photograph
  8. Accepted Image format JPEG/JPG
  9. Maximum image size: 5 MB
  10. To be eligible for the competition, please fill up all the details in the submission form.
  11. Post production is allowed.
  12. Photographs submitted in this event can be used by Jhaalmuri in its other publications with mention of the name of the photographer.
  13. Last date of submission: 7th March 2015


Go to this link to upload your entry:


Jhaalmuri may decide to exclude any photograph from the contest due to violation of any of the rules above or otherwise.






Lets brighten up this Holi with a burst of colors.


Jhaalmuri 

Spread Creativity. Spread Happiness.
Mail : thejhaalmurigang@gmail.com
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...